শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন: কার্য উপদেষ্টাসহ ৫ সংসদীয় কমিটি গঠন, পর্যালোচনায় আসবে ১৩৩ অধ্যাদেশ ধামরাইয়ে জরাজীর্ণ মিটারে বারবার আগুন: নতুন সংযোগে পল্লী বিদ্যুতের ‘গড়িমসি’, আতঙ্কে ব্যবসায়ীরা রাষ্ট্রপতির পরস্পরবিরোধী বক্তব্য ও নৈতিকতা: পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল রাজনৈতিক অঙ্গন ইরানে সরকার পতন সম্ভব নয়: ইসরায়েলের ‘অসহায়’ স্বীকারোক্তি হরমুজ প্রণালিতে ৩ জাহাজে ভয়াবহ হামলা: একটিতে আগুন, নাবিকদের উদ্ধার সালথায় আওয়ামী আমলের সারের ডিলার বাতিলের দাবিতে উত্তাল মানববন্ধন ঝুঁকিপূর্ণ মিটারে অগ্নিকাণ্ডের আতঙ্ক: ধামরাইয়ে নতুন সংযোগ দিতে পল্লী বিদ্যুতের গড়িমসি ও মালিকপক্ষের অসহযোগিতার অভিযোগ জমে উঠেছে ইসলামপুর ঈদের বাজার, খুশি ব্যবসায়ীরা ॥

সাড়ে তিন মাস পর ঢাবির শিক্ষার্থীরা ক্লাসে ফিরলেন

সাড়ে তিন মাস পর ঢাবির শিক্ষার্থীরা ক্লাসে ফিরলেন

ঢাবি প্রতিনিধি:: ২ জুন গ্রীষ্মকালীন ছুটি ও ঈদুল আজহার বন্ধ শেষে ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস খুললেও সরকার ঘোষিত সার্বজনীন পেনশন স্কিমের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা। ৫ জুলাই থেকে কোটা সংস্কারের জন্য আন্দোলন শুরু করে শিক্ষার্থীরা। উভয় পক্ষই দাবি না মানা পর্যন্ত ক্লাস পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দেয়। সেই থেকে বিভিন্ন ঘটনার পরিক্রমায় প্রায় সাড়ে তিন মাস পর ক্লাসে ফিরেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা।

রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ঘোষণা দেওয়ার পর শুরু হয় ক্লাস। যেসব ডিপার্টমেন্টে পরীক্ষা চলছিল বা রুটিন দেওয়া হয়েছিল, নতুন করে তাদের রুটিন প্রকাশ করা হয়নি এখনও। শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা, দ্রুতই তাদের পরীক্ষার রুটিনগুলো প্রকাশ করা হবে।

করোনা মহামারি ও বিভাগগুলোর সদিচ্ছার অভাবে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের একটি অংশ প্রায় দুই বছরের সেশনজটে রয়েছে। বিশেষত করোনার আগে ২০১৯-২০ সেশনে যারা ভর্তি হয়েছেন। করোনার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় প্রশাসন লস রিকভারি প্ল্যানের আওতায় ছয় মাসের সেমিস্টার ৪ মাসে নিলেও অনেকগুলো ডিপার্টমেন্টই তা ফলো করে। বিশেষত সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিপার্টমেন্টগুলো।

যেখানে কলা অনুষদের বেশ কিছু ডিপার্টমেন্ট পরীক্ষা শেষে রেজাল্টও দিয়ে দিয়েছে এবং বাকি ডিপার্টমেন্টগুলোর পরীক্ষা শুরু হয়েছিল, রুটিন দিয়েছে। বিষয়গুলো নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে হতাশা থাকলেও ক্লাসে ফিরতে পেরে মোটামুটি স্বস্তিতে তারা। অনুষদের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী তৈবুর রহমান সিফাত বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা সেশনজটে পড়ে আছি, কলা অনুষদসহ বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের বন্ধুরা, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুরা তাদের কোর্স সম্পূর্ণ করে ফেলেছে। আমাদের এখনও এক সেমিস্টার বাকি। বছরের শেষ দিকে এখানে চাকরির সার্কুলার হতে পারে। এই বছরের মধ্যেই অনার্স শেষ না হলে আমরা তা মিস করবো। সবকিছু মিলিয়ে প্রশাসনের উচিত এ বছরের মধ্যেই আমাদের অনার্স শেষ করে দেওয়া। বিষয়গুলো নিয়ে অধিকাংশ শিক্ষার্থীর মাঝে হতাশা কাজ করছে। তবে ক্লাসে ফিরতে পেরে আপাতত স্বস্তি এসেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী শাহিন আলম বলেন, আমাদের অষ্টম সেমিস্টারের রুটিন দিয়েছিল, পরীক্ষাও হয়েছিল একটি কোর্সের। আজ থেকে ক্লাস শুরু হয়েছে আবার। আমাদের পরীক্ষা নিয়ে এখনও নতুন রুটিন দেওয়া হয়নি। ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, খুব শিগগিরই রুটিন প্রকাশ করে পরীক্ষা নেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2024  Ekusharkantho.com
Technical Helped by Curlhost.com